মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
অবশেষে বাতিল তৃতীয় শ্রেণির ল্যাব সহকারী ফারুকের ডিলার মহেশখালীতে সারের সব ডিলার এমপি আলমগীর ফরিদ ‘বিএনপি পন্থী’, তৃণমূলজুড়ে চরম অসন্তোষ উখিয়ার সোনাইছড়িতে ছুরিকাঘাতে যুবক আহত শহরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হারের পর ইউনাইটেড কর্তাদের একহাত নিলেন মার্টিনেজ কক্সবাজার রেল স্টেশনে আরও একটি রেল যুক্ত হচ্ছে: ২৬ অক্টোবর থেকে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস খুরুলিয়ায় সিএনজিতে মিলল ৩ লক্ষ পিস ইয়াবা ইনানী সৈকতে নিজ উদ্যোগে সড়ক নির্মাণ: পর্যটক ও যানবাহন চলাচলে স্বস্তি  আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে যোগ দিলেন মেসি বিয়েতে মত ছিল না জুহি চাওলার, কী করেছিলেন নায়িকার হবু শাশুড়ি

নেপালের ভূমিধসে ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ, হিমালয় বিপর্যয়ে কারণ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন: চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও কাদামাটির ধসের পর তিব্বত সীমান্তে ২৩টি দেশের অন্তত ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে রবিবার নিশ্চিত করেছে চীন। তিব্বতে এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছেছে।

তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের কর্মকর্তারা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিখোঁজ হওয়া বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০৪ জন নেপালের নাগরিক। এ ছাড়া নিখোঁজদের মধ্যে ৪৯ জন ভারতীয়, ৩৩ জন লাটভিয়ান, ১৮ জন আমেরিকান এবং ১৫ জন ব্রিটিশ নাগরিক রয়েছেন। বেইজিং কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিদেশি মিশনগুলোকে বিষয়টি অবহিত করেছে। গত বুধবারে হিমবাহ ধসের পর এটাই চীনের পক্ষ থেকে নিখোঁজ বিদেশিদের জাতীয়তার প্রথম সুনির্দিষ্ট তালিকা।

চীনা কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত জিরোং কাউন্টিতে ১৬ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে এবং মোট ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের সীমান্তে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৬৭৫ জনে পৌঁছেছে, নিখোঁজ রয়েছেন ২,৪৯৮ জন এবং ৭,৫১৪ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।

তীব্র উদ্ধার তৎপরতার মধ্যেই নিকটবর্তী ত্রিশূলী নদীর পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকর্মীরা উঁচু স্থানে সরে গেছেন।

চীনা রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি রবিবার জানিয়েছে, এই বিপর্যয়টি দীর্ঘমেয়াদি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে হিমবাহের অস্থিতিশীলতার কারণে ঘটেছে, যা তিব্বতীয় মালভূমির তুষারগোলক অঞ্চলের দুর্যোগের এক নতুন ও প্রকট বৈশিষ্ট্য।

চীনা বিজ্ঞানীদের তথ্য অনুযায়ী, নেপাল সীমান্ত থেকে নেমে আসা কাদা ও পাথর সমৃদ্ধ এই পাহাড়ি ঢল জিরোং সীমান্তে পৌঁছাতে মাত্র ৬ থেকে ৭ মিনিট সময় নিয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজে ভবনগুলোকে পানির তোড়ে ভেসে যেতে এবং মানুষকে প্রাণভয়ে পালাতে দেখা গেছে।

শনিবার নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোন আলাপে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি তাদের সবচেয়ে মারাত্মক আন্তঃসীমান্ত দুর্যোগ এবং উদ্ধার অভিযানটি নজিরবিহীন কঠিন ও জটিল।

চীন ইতোমধ্যে ২ হাজার ১০০ জনেরও বেশি জরুরি উদ্ধারকারী মোতায়েন করেছে এবং ত্রাণ সহায়তায় অন্তত ২২ কোটি ইউয়ান (৩২.৭ মিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ দিয়েছে। সিসিটিভি জানিয়েছে, তারা নেপালকে জরুরি নগদ অর্থ, ত্রাণসামগ্রী, স্যাটেলাইট ও হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য এবং সুড়ঙ্গ উদ্ধার বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে সহায়তা করছে। দুই দেশ যৌথভাবে নিজ নিজ ও বিদেশি নিখোঁজ নাগরিকদের শনাক্তকরণসহ দুর্যোগ প্রতিরোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদার করছে। অন্যদিকে রেড ক্রস অনুমান করেছে, এই বিপর্যয়ে ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

সূত্র: রয়টার্স

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION